ঈমানের সাক্ষ্য বা শাহাদাতের দুটি অংশ। তাই একে দ্বিবচনে বলা হয় শাহাদাতাইন। প্রথম অংশ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”। পরের অংশ “মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ”র সাথে সম্পর্ক নিয়ে এখানে আলোচনা হবে।
আল্লাহ বলেন,
“অতএব তোমার রবের কসম, তারা মুমিন হবে না যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে বিচারক নির্ধারণ করে...।” [সূরা আন-নিসা, ৪:৬৫]
“রাসূল তোমাদের যা দান করেন তা গ্রহণ করো, আর যা থেকে তিনি তোমাদের নিষেধ করেন তা থেকে বিরত হও...।” [সূরা আল-হাশর, ৫৯:৭]
“বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসো, তাহলে আমাকে অনুসরণ করো, যাতে আল্লাহ ও তোমাদের ভালোবাসেন এবং তোমাদেরকে তোমাদের পাপ মার্জনা
করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু। বলুন, আল্লাহ ও রাসূল -এর আনুগত্য প্রকাশ করো। বস্তুত যদি তারা বিমুখতা অবলম্বন করে, তাহলে আল্লাহ
কাফিরদের ভালোবাসেন না।” [সূরা আলে ইমরান, ৩:৩১-৩২]
আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও আনুগত্য করা এবং তাঁর আইন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া কুফর এবং শিরক হবার প্রমাণ। আল্লাহ বলেন,
".....তিনি তাঁর কর্তৃত্বে কাউকে অংশীদার করেন না।” [সূরা আল-কাহফ, ১৮:২৬]
“...যদি তোমরা তাদের কথা মান্য করে চলো, তাহলে তোমরা অবশ্যই মুশরিক হয়ে যাবে।” [সূরা আল-আনআম, ৬:১২১]
“তারা কি তবে জাহিলিয়াতের বিধান চায়? কে আছে বিশ্বাসীদের জন্যে বিধান দানে আল্লাহর চেয়ে উত্তম”? [সূরা আল-মায়িদাহ, ৫:৫০]
এখানে উদাহরণস্বরূপ অল্প ক'টি আয়াত পেশ করা হলো মাত্র। অনুরূপ আরও বিপুল সংখ্যক আয়াত রয়েছে। আল্লাহর আইন-বিধান মেনে চলার বিষয়টি যে বিভিন্ন দিক থেকে আকীদাহর সাথে সম্পর্কিত, তা বারবার এ আয়াতসমূহে প্রমাণিত হয়েছে।